বাবা ছিলেন টেলিকম অপারেটর, ছেলে টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » বাবা ছিলেন টেলিকম অপারেটর, ছেলে টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী
মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৩



বাবা ছিলেন টেলিকম অপারেটর, ছেলে টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী

অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের দায়িত্ব পাওয়ার পর আবেগতাড়িত হয়ে পড়ার কথা জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। কারণ তার বাবা ফয়েজউদ্দিন আহমেদ পেশায় একজন টেলিকম অপারেটর ছিলেন।

মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে দায়িত্বগ্রহণের সময় বাবার সেই স্মৃতির কথা স্মরণ করেন পলক।

তিনি বলেন,

যখন মন্ত্রিপরিষদ সচিব আমাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের দায়িত্ব দেয়ার সুখবরটি দিলেন, তখন নিজেকে আমি ধরে রাখতে পারিনি। আমি ভীষণ আবেগতাড়িত হয়ে যাই। কারণ আমার বাবা একজন টেলিকম অপারেটর ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমার বাবা ফয়েজউদ্দিন আহমেদ গ্রামের ছেলে। তিনি চলনবিলের প্রত্যন্ত গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। নাটোর থেকে গিয়ে বগুড়া আজিজুল হক কলেজে লেখাপড়া করতেন। খুবই অল্পবয়সে এইচএসসি পাস করেন। ধরেন ২২ থেকে ২৩ বছর বয়সে। সেই সময়ে তিনি রাজশাহীতে একটি ইনস্টিটিউটে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হয়েছিলেন।’

খুব বেশি ধনাঢ্য পরিবারের সন্তান না হওয়ায় তার বাবা টেলিফোন এক্সচেঞ্জের অপারেটর পদে চাকরি নিয়েছিলেন উল্লেখ করে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, তিনি দিনাজপুরে গিয়ে চাকরিতে জয়েন করেন। যে কারণে তার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের লেখাপড়া শেষ করা হয়নি। তারপর বদলি হয়ে বগুড়ায় আসেন এবং আমার মায়ের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। এরপর শান্তাহার, নাটোর, চুয়াডাঙ্গা এক্সচেঞ্জেও তিনি টেলিফোন অপারেটর পদে চাকরি করেন।

১৯৫৭ সালে তার বাবার চাকরি নেয়ার কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আমি সকালে মাকে জিজ্ঞেসা করেছি, আব্বার বেতন কত ছিল? তিনি বললেন, ১২৫ টাকা। যাই হোক, এসব কারণে টেলিকম খাতের সঙ্গে আমার একটি আবেগের সম্পর্ক রয়েছে। আমি ভাবলাম, আজ আপনাদের সঙ্গে তথ্যটি শেয়ার করি। যেদিন দায়িত্ব নেয়ার খবরটি পাই, মাকে জড়িয়ে ধরে কেঁদেছিলাম। মা মনে করেছিলেন, কোনো দুর্ঘটনা ঘটে গেছে। আমি আসলে আনন্দটা প্রকাশ করার ভাষা খুঁজে পাচ্ছিলাম না।

এসময়ে তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগে গত ১০ বছর কাজ করার অভিজ্ঞতার কথাও জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, টেলিকম খাতও কিন্তু আইসিটিরই একটি সহায়ক বিভাগ এবং একই মন্ত্রণালয়ের আওতায়। ২০১৪ সালে এটি ছিল তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। তারপর সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরামর্শে প্রধানমন্ত্রী এটির নাম দিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। তখন দুইটি বিভাগ ও দুইটি মন্ত্রণালয়কে এক করে দেয়া হয়।

বাংলাদেশ সময়: ১৫:৫৬:৪০   ১৩৬ বার পঠিত  




পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)

ছবি গ্যালারী’র আরও খবর


ফ্যাসিবাদের সময় প্রধান উপদেষ্টাও নির্যাতিত হয়েছিলেন : আযম খান
নোয়াখালীতে চলন্ত সিএনজির সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, শিশুসহ দগ্ধ ৬
পরাজিত শক্তি নিউইয়র্ক টাইমসে মিথ্যা তথ্য দিয়ে রিপোর্ট করিয়েছে: রিজভী
তরতাজা তরুণদের হত্যার বিচার হতেই হবে : প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা
ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিচার বাংলার মাটিতেই হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
কূটনৈতিক টিম নিয়ে রাশিয়ান রাষ্ট্রদূতের সুন্দরবন পরিদর্শন
আগামী ১৪ মে কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন : ফারুক ই আজম
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আগামীকাল ব্যাংকক যাবেন প্রধান উপদেষ্টা
ইমামকে রাজকীয় বিদায়, পেনশন পেলেন ৯ লাখ টাকা
শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে জয়, ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদ

News 2 Narayanganj News Archive

আর্কাইভ