
ঈদের ছুটিতে ফাঁকা চট্টগ্রামে চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতি বাড়ার শঙ্কায় রয়েছেন নগরবাসী। তবে পুলিশ জানিয়েছে, নগরীর নিরাপত্তায় থাকছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
প্রতি বছর ঈদের সময়ে আট থেকে দশ লাখ মানুষ চট্টগ্রাম ছাড়ে পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ উদ্যাপন করতে। স্বজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে এরইমধ্যে চট্টগ্রাম ছেড়েছেন বিপুলসংখ্যক মানুষ।
ঈদের দীর্ঘ ছুটিতে ফাঁকা থাকবে চট্টগ্রাম নগরী। এতে বাসাবাড়ি, ফ্ল্যাট ও অফিস একদম খালি হয়ে যাচ্ছে। ওই সময়ে সক্রিয় হতে পারে অপরাধী চক্র। ফাঁকা নগরীতে চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতির শঙ্কা নগরবাসীর।
এদিকে, নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ছুটির সময়ে বিভিন্ন আবাসিক এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করছেন অনেকে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল জোরদার করার আহ্বান আবাসিক বাসিন্দাদের।
নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটি কল্যাণ পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সহ-সাধারণ সম্পাদক মুজিবুল হক সিদ্দিকী বলেন, ‘দেশের বিরাজমান পরিস্থিতিতে আমারা একটু চিন্তিত। এ কারণে আমরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানোর ব্যবস্থা করছি।’
নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটি কল্যাণ পরিষদের নিরাপত্তা কমিটির আহ্বায়ক কাজী মো. নাসির বলেন,
যথেষ্ট পরিমাণে নিরাপত্তাকর্মী আছে। সেটা দিয়ে আমরা পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবো। তবে দেশের পরিস্থিতি অনুযায়ী সরকারের একটু সহযোগিতা করা উচিত।
সব বিষয় মাথায় রেখে ঈদের আগে ও পরে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা পরিকল্পনা সাজিয়েছে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি)।
সিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মাহমুদা বেগম বলেন,
আবাসিক এলাকায় অভ্যন্তরীণ যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আছে, সেই বিষয়ে তাদের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি যেন তারাও সতর্ক থাকেন। তারা যেন যেকোনো বিষয়ে আমাদেরকে জানান। এ ছাড়া আমাদের নিয়মিত যে টহল ব্যবস্থাও থাকবে।
শুধু বাসা-বাড়ি নয়, জনগুরুত্বপূর্ণ ভবন, রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি, বিপণিবিতান, মার্কেট, ব্যাংক, এটিএম বুথেরও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে সিএমপি।
বাংলাদেশ সময়: ১১:৩৪:৫৭ ২৪ বার পঠিত