মঙ্গলবার, ১৮ জুলাই ২০২৩

জালে ধরা পড়া সেই কুমিরের ঠাঁই হলো বন্যপ্রাণী পুনর্বাসন কেন্দ্রে

প্রথম পাতা » ছবি গ্যালারী » জালে ধরা পড়া সেই কুমিরের ঠাঁই হলো বন্যপ্রাণী পুনর্বাসন কেন্দ্রে
মঙ্গলবার, ১৮ জুলাই ২০২৩



জালে ধরা পড়া সেই কুমিরের ঠাঁই হলো বন্যপ্রাণী পুনর্বাসন কেন্দ্রে

বরিশালের মুলাদী উপজেলায় আড়িয়াল খাঁ নদীতে জেলের জালে ধরা পড়া সেই কুমিরটি ঠাঁই হলো খুলনা বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে।

সোমবার (১৭ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে কুমিরটি বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে পাঠানো হয়।

খুলনার বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের জীব ও বৈচিত্র্য কর্মকর্তা তন্ময় আচার্য এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, খুলনায় বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে কুমিরটিকে যথাযথ পরিচর্যা করা হবে। এরপর সেটিকে পরে উপযুক্ত স্থান দেখে অবমুক্ত করা হবে।

এরআগে সকাল ১০টার দিকে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ঘোষেরহাটের আড়িয়াল খাঁ নদীতে কুমিরটি ধরা পড়ে।

জেলে জাবুল হোসেন তালুকদার বলেন, প্রতিদিনের মতো সোমবার সকালেও আইড়-পাঙাশ মাছ ধরতে জাল ফেলি। কিছুক্ষণ পর জাল তোলার সময় অনেক ভারি লাগছিল। এরপর জাল কাছে আসার পর দেখতে পাই কুমিরটিকে। প্রথমে কিছুটা ভয় পেয়েছি, এরপর কৌশলে জাল টেনে নদীর পাড়ে এনে আমাদের রুবেল মেম্বারকে সংবাদ দেই। এরপর উৎসুক জনতার ভিড় বাড়তে থাকে।

নাজিরপুর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য রুবেল বলেন, জেলেদের কাছ থেকে কুমিরের বিষয়ে জানতে পেরে থানা পুলিশ ও ইউএনওকে জানিয়েছি। তারা কুমিরের দেখভাল করার জন্য আমাকে ও জেলেদের বলেছেন। পরে কুমিরটিকে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

কুমিরের বিষয়ে মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহাবুব বলেন, নাজিরপুর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য রুবেল মোবাইল ফোনে জানান কুমিরের বিষয়টি। এরপর ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্য পাঠিয়েছি।

মুলাদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বকুল চন্দ্র কবিরাজ বলেন, কুমিরের বিষয়টি আমি জানার পর বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ অধিদফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করে ছবি পাঠিয়েছি। তারাই কুমিরে বিষয়টি দেখছে।

বাংলাদেশ সময়: ১১:১৩:২৮   ১০৬ বার পঠিত