বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সবাই মিলে দেশটাকে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেছেন, দেশের মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং গণতন্ত্রে উত্তরণের জন্য বিএনপি দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রাম করে আসছে। এই সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ছাত্র জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের স্বৈরশাসনের পতন হয়েছে।
তিনি বলেন, সংস্কারের কথা বলে দীর্ঘ সময় ক্ষেপণের সুযোগ নেই। সংস্কারের রাজনীতিকে আমরা সবসময় লালন করি। এখন যতটুকু দরকার, ততটুকু সংস্কার করে এগিয়ে যেতে হবে। কেউ কেউ বলে, আনুপাতিক হারে নির্বাচন হবে, কখনো বলে যে, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগে, এর পরে জাতীয় নির্বাচন, তারপর তারা সংস্কার করে যাবে, শেখ হাসিনার বিচার শেষ করে যাবে। এসব কথা বলার সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের ইতিহাস এখন বিতাড়িত ইতিহাস। ছাত্র-জনতা ও রাজনৈতিক দলগুলোর অভিপ্রায়ে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন হয়েছে। আমরা তাদের সহযোগিতা করছি সংস্কার ও একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য। আশা করছি, তারা যত দ্রুত সম্ভব সংস্কার কাজ শেষ করে নির্বাচন দিয়ে জনগণের নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করবেন।
আমীর খসরু বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমানে বিএনপির রাজনৈতিক কর্মসূচির অনেক গুণগত পরিবর্তন হয়েছে। সারাদেশে ধানের শীষের জোয়ার উঠেছে। এটি কেউ রুখতে পারবে না। এদেশ পরিচালনা করতে হলে মানুষের ম্যান্ডেট নিতে হবে। নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত হতে হবে। জনগণ যে ম্যান্ডেট দিবে সেটা সংসদে পাস করতে হবে। নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেন তিনি।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জেলা স্টেডিয়ামের আউটডোর মাঠে লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আমীর খসরু মাহমুদ এসব কথা বলেন। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়ন ও দ্রুততম সময়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবিতে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব ও লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির আহবায়ক শহীদ উদ্দিন চৌধুরীর এ্যানীর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব সাহাবুদ্দিন সাবু ও যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট হাসিবুর রহমানের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন যুবদলের সভাপতি মো. আবদুল মোনায়েম মুন্না, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূইয়া, বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন ও ভিপি হারুনুর রশিদ, বিএনপি নেতা আশরাফ উদ্দিন নিজান, নাজিম উদ্দিন, ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপী, মাহাবুবুর রহমান, এলডিপি নেতা শাহাদাত হোসেন সেলিম, জেলা যুবদলের সভাপতি রেজাউল করিম লিটন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি অ্যাডভোকেট মহসিন কবির স্বপন, সাধারন সম্পাদক হারুনুর রশিদ, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাসান মাহমুদ ইব্রাহিম ও সাধারন সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন, কৃষকদলের সভাপতি মাহাববুল আলম মামুন ও সাধারন সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল।
বাংলাদেশ সময়: ২৩:২৪:৪৩ ২২ বার পঠিত